স্বরচিত বাংলা কবিতা
যুগে যুগে যেমন বহু অন্যায় অত্যাচার ঘটেছে ঠিক তেমনি এসবকে রুখে দেওয়ার জন্য অনেক বীরপুরুষ নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, করেছেন শহীদি মৃত্যুবরণ। আর তারা মরে গিয়েও হয়ে আছেন আমাদের মাঝে অমর।
তবে সেই কুখ্যাত অত্যাচারীরাও আমাদের স্মরণে রয়ে আছে তবে সেটা ঘৃণিত আকারে, সেটাকে অমর মৃত্যু বলে না , কেননা আমরা তাদের স্মরণ করি এক বুক ভরা ভালোবাসা নিয়ে। আর তাই এই শহীদি অমরদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণে আমি লিখেছি ছোট্ট একটি কবিতা, অমর মৃত্যু, আশা করি কবিতাটি সম্পূর্ণ করে আপনাদের ভালো লাগবে।
অমর মৃত্যু
-ফয়জুল্লাহ
মানুষ তো মরে যায়, তবু কেন অমর হয়ে রয়।
তবে হ্যাঁ,মানুষ খেকো শুকনো রয়ে যায় সবার মনে
তবে সেটা মানুষ খেকো শকুন রূপে।
বীরপুরুষতো রয়ে যায় লাখো তরুণের আদর্শ হয়ে ,
লাখো মায়ের প্রার্থনাতে,
লাখো কোবির কবিতার তীক্ষ্ণ নক্ষত্র হয়ে।
তারা ভাবে বীরপুরুষ থেমে যায় তাদের বন্দুকের নলে, তাদের দূষিত আঁচড়ে।
হা হা, তারা তো জানেনা থামাতে পারে নাই,
তাদের মত শতন নমরুদ, ফেরাউন এই বীরপুরুষদের রক্ত ঝরিয়ে।
তারা ফিরে, তারা ফিরে অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত পেরিয়ে
তীক্ষ্ণ আলো নিয়ে উদায়মান সূর্যের মত।
তারা জন্ম নেই ,সেই হিমালয়ের স্নিগ্ধ হওয়া মনে প্রবাহ নিয়ে।
কিন্তু তাদের কন্ঠে থাকে আষাঢ়ে বিদ্যুৎ চমকানো বজ্র আওয়াজ
সেই মানুষ খেকো হায়না শকুনদের বিপক্ষে।
তাদের জন্ম দেই বীরমাতারা
সেই হায়না শকুনদের বিষ দাঁত ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য
যুগে যুগে একজন হলেও জন্ম দেয়।
জাতির জন্য উৎসর্গ করে নিজ কলিজা ছেঁড়া সন্তান।
তবে সে মায়ের আজ সকল কষ্ট সার্থক।
কেননা তার বীর সন্তানের শহীদি মৃত্যুতে আজ পুরো জাতি কাঁদছে
আহা কি আর্তনাদ ,মনে হচ্ছে প্রতিটি মায়ের গর্ভে ধরা এই সন্তান,
প্রতিটি বাবার ঔরস হতে জন্ম নেওয়া এই সন্তান ।
আহা কি এ জাতির আর্তনাদ, মনে হচ্ছে এ জাতি কি যেন হারালো ।
তবে কি এটাই এ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ?
এটাই কি এ জাতির বীর সন্তান?
একেই কি বলে অমর মৃত্যু ?

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url